সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে দেশজুড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘মোাটিভেশনাল বক্তব্য’ প্রচার করার পাশাপাশি যারা হোয়াটসঅ্যাপ বা ম্যাসেঞ্জারে সহায়তা চাইছেন তাদেরকে ত্রাণ দেয়া হচ্ছে।
মঙ্গলবার চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের জেলাসমূহের প্রশাসনিক কর্মকর্তার সঙ্গে ভিডিও বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৈঠকে এসব কথা তুলে ধরেন হবিগঞ্জের জেলাপ্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
প্রধানমন্ত্রী ‘যারা হাত পাততে পারেন না, এমন পরিবারের তালিকা করে সহায়তা করার নির্দেশনা’ দিলে জেলা প্রশাসক বলেন, “মানুষ এখন অনেক সচেতন ও স্মার্ট হয়েছেন। তারা এখন হোয়াটসঅ্যাপ, ম্যাসেঞ্জার এবং মোবাইলে টেক্সট করে খাদ্য সহায়তা চাইছেন। আমরা জেলা প্রশাসনে মাধ্যমে ইউএনওদের মাধ্যমে তাদের ঘরে ত্রাণ পৌঁছে দেয়া হচ্ছে। এজন্য আমরা হটলাইনে নম্বর ওপেন করে দিয়েছি।”

উত্তরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, “এমনভাবে যারা ম্যাসেজ পাঠাবে, তাদের খাবার পাঠাবেন। যা লাগে আমি করে দিবো। কোনো চিন্তা করবেন না।”
বৈঠকে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন জানান, “অনলাইন কল ছাড়াও ৩৩৩ থেকে প্রাপ্ত বার্তা পেয়ে প্রতিদিনই রাতে দেড়শ’ থেকে দুইশ’ মধ্যবিত্ত পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছি। তাদের তালিকা রেখে নাম গোপন রেখেছি।”
সামাজিক সুরক্ষার আওতায় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ত্রাণ বিতরণের ক্ষেত্রে মধ্যবিত্তকে গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। এক্ষেত্রে ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহারেও গুরুত্ব দেন তিনি।